চোখ

তিন

আবদুল মান্নান সৈয়দ

৭ বার পঠিত

মৃত্যুদণ্ডই হতে যাচ্ছিল চঞ্চলার। একেবারে শেষ মুহূর্তে প্রায় অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছে বাগ্মীর বুদ্ধিতে । শেষ বিচারের দিন, যখন সমস্ত বিচারক সমাসীন, বাগ্মী হঠাৎ এগিয়ে এসে একটানে খুলে ফ্যালে চঞ্চলার পোশাক। আর মুহূর্তে উন্মোচিত হয়ে যায় অসামান্য এক শরীর-প্রাচীন নগরীর কারুকার্য-খচিত এক মুখমণ্ডল, নিশীথের অন্ধকারে রচিত কেশদাম, দীঘল ও তষী শরীর, নিটোল পরিপূর্ণ কোমল কঠিন স্তন ও শ্রোণী। একমুহূর্ত নিস্তব্ধ থেকে সমস্ত বিচারক এক-বাক্যে রায় দেন : ‘না, অলৌকিক এই শরীরে কোনো পাপ থাকতে পারে না।’